মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

 
 

 সংশোধিত/ পরিবর্তিত/ নতুন নিয়মাবলী সম্বলিত সিটিজেন চার্টার এর বর্তমান রূপ

 

ভূমিকা

 

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান৷ পরিকল্পিত নগরায়ন ও আধুনিক খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ১৯৬১ সালের ২১ জানুয়ারী এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি৷ জন্মের সূচনালগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানটি নগর পরিকল্পনা, মহানগর উন্নয়নে অংশগ্রহন এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে৷ সবকিছুর মূলে রয়েছে জনসেবাকে আরো গতিশীল ও যুগোপযোগী করা ৷

 

      অপর িদকে বর্তমানে দেশে চলমান দূর্ণীতি বিরোধী অভিযান এবং পুরাতন ধ্যান-ধারনা বদলে সেবামূখী প্রতিষ্ঠান সমূহে চলছে দিন বদলের ঐকান্তিক চেষ্টা-যার মাধ্যমে সকল কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিত হবে এবং সেবা প্রত্যাশী মানুষের সেবার মান বৃদ্ধি পাবে৷ কিন্তু একথা অনস্বীকার্য যে, দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটের কারনে জনসাধারন অনেক প্রতিষ্ঠানের কাজ সম্পর্কে অবগত নয়৷ আর একারনেই ক িথত দুষ্টচক্রের কবলে পড়ে তারা অনেকক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হয়৷ এ থেকে পরিত্রানের জন্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব তার সেবামূলক কর্মকান্ড জনগনকে অবহিত করা ৷

 

দেশ ও জাতির এক সংকটময় মূহুর্তে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই শুরু হয়েছে সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাব দিহিতা, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে গতিশীলতা বৃদ্ধি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার এক মহান কর্মযজ্ঞ৷ সেই কর্মযজ্ঞের ক্ষুদ্র অংশীদার হিসাবে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও তার সার্বিক কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিত করে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ৷ আর সেই প্রতিজ্ঞার অংশ হিসাবে এবং সরকারী নির্দেশনার আলোকে এই কর্তৃপক্ষের নাগরিক সেবার সমগ্র তথ্যচিত্র সবাইকে অবগত করার মানসে নেয়া হয়েছে One stop service এর পাশাপাশি এসেবা কার্যক্রম নির্দেশিকা প্রকাশের উদ্যোগ৷

 

এই নির্দেশিকায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদেয় সেবা ও সেবা সংক্রান্ত তথ্যা দির পাশাপাশি কার্যক্রম সম্পাদনের সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে-যাতে করে সেবা প্রত্যাশীগণ নির্ধারিত সময়ের মাঝে সেবা পেতে পারেন৷ মূল কথা এর মাধ্যমে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষেরর মহাপরিকল্পনা এলাকার সেবা গ্রহণকারী গণমানুষের সহায়তা নিশ্চিত করা৷ পরিশেষে আশা করা যায় যে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অত্র কর্তৃপক্ষের সম্প্রসারিত সেবা কর্মসূচীর আওতায় পরিকল্পিত নগরায়ন, নিরাপদ ইমারত নির্মান ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে প্রত্যশা অংশগ্রহনের সাথে সাথে জবাব দিহিতা, সময়ানুবর্তিতা, সততা ও ন্যায়নীতিকে সামনে রেখে সেবাগ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরন করাই হোক আমাদের অংগীকার ৷

 

বৈষয়িক শাখা

 

কেডিএ হতে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার নিয়ামাবলীঃ

 

১৷   কেডিএ’র বৈষয়িক শাখা হতে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক, বাণিজ্যিক কাম আবাসিক ও শিল্প প্লট বরাদ্দের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়৷

২৷   বাণিজ্যিক প্লট টেন্ডারের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয় বিধায় ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে কাঠা প্রতি মূল্য উদ্ধৃত করে উদ্ধৃত অর্থের ১০% পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট জামানত হিসাবে সংযুক্ত করে চাহিত অন্যান্য ডকুমেন্টসহ টেন্ডার দাখিল করতে হয়৷

৩৷   বাণিজ্যিক প্লট টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয় বিধায় ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে কাঠা প্রতি মূল্য উদ্ধৃত করে উদ্ধৃত অর্থের ১০% পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট জামানত হিসাবে সংযুক্ত করে চাহিত অন্যান্য ডকুমেন্টসহ টেন্ডার দাখিল করতে হয়৷

৪৷   প্লটের আবেদনপত্র যাচাই বাছাই এর পর আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে লটারীর মাধ্যমে এবং বাণিজ্যিক ও বাণিজ্যিক কাম আবাসিক প্লটের ক্ষেত্রে প্রতি প্লটের সর্বোচ্চ উদ্ধৃত দর কেডিএ’র ফেস ভ্যালু এবং এ যাবত্কাল প্রাপ্ত উক্ত প্রকরে সর্বোচ্চ দর অপেক্ষা বেশী হলে প্লট বরাদ্দ প্রদান করা হয়ে থাকে৷

৫৷  আবেদন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ হতে ৩০ টি কার্য দিবসের  মধ্যে লটারী অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়৷

৬৷  আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে বাছাইকৃত আবেদনের লটারী অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কৃতকার্যদের প্লট বরাদ্দ প্রদান এবং অকৃতকার্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিডি ফেরতের কার্যক্রম ১৫ টি কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়৷

৭৷   প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য সার্বিক সেবা কেন্দ্র (One Stop Service Centre)এ যোগাযোগ করা যেতে পারে৷

 

বরাদ্দপ্রাপ্ত প্লটের টাকা পরিশোধ, দখল, রেজিষ্ট্রেশন নামপত্তন (নামজারী) এর নিয়মাবলীঃ

 

১৷   প্লট বরাদ্দ পাওয়ার এক মাসের মধ্যে প্লটের মোট প্রিমিয়াম অর্থের কমপক্ষে অর্ধেক (৫০%) মূল্য পরিশোধ করতে হয়৷ বাকী ৫০% অর্থ বরাদ্দ পত্রে বর্ণিত শর্তানুযায়ী কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ আছে৷ তবে গ্রাহক ইচ্ছা করলে সম্পূর্ণ টাকা সুদ প্রদান ব্যতীত একত্রে বরাদ্দপত্র পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে পারেন৷

২৷   সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম পরিশোধের পর প্ল­টের দখল গ্রহণের জন্য প্লট বরাদ্দ প্রাপ্তির আবেদনের সাথে স্বাক্ষর মিল রেখে বরাদ্দ গ্রহীতা কর্তৃক আবেদন করতে হয়৷

৩৷  বরাদ্দ গ্রহীতা প্ল­টের দখল ও রেজিষ্ট্রেশনের জন্য আবেদন করলে কোন টাকা পাওনা না থাকলে আবেদন প্রাপ্তির ৩০টি কার্য দিবসের মধ্যে অনুমোদন গ্রহণ পূর্বক প্ল­টের দখল হস্তান্তরের চিঠি প্রদান করা হয়ে থাকে৷

৪৷   প্রিমিয়াম বকেয়া থাকলে এবং বরাদ্দ বাতিল না হয়ে থাকলে উক্ত প্রিমিয়াম পরিশোধ করে পুনরায় আবেদন করলে আবেদন প্রাপ্তির ৩০ টি কার্য দিবসের  মধ্যে প্লটের দখল গ্রহণের জন্য চিঠি প্রদান করা হয়ে থাকে৷

 

৫৷     প্লটের দখল হস্তান্তরের পর আবেদনের প্রেক্ষিতে ৩০ টি কার্য দিবসের মধ্যে লীজ দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর কাজ সম্পন্ন করা হয়৷

৬৷    প্লটের রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় দলিল টাইপ এর কাজ নির্দিষ্ট ছক মোতাবেক স্বউদ্যোগে বাহির হতে অথবা নির্ধারিত ফি প্রদান করতঃ কেডিএর সার্বিক সেবা কেন্দ্র (One Stop Service Centre) হ েসম্পন্ন করা যেতে পারে৷ প্লটের রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় খরচাদি বরাদ্দ গ্রহীতাকেই বহন করতে হয়৷

৭৷     লীজ দলিল সম্পন্নের পর দলিলের এক প্রস্থ সার্টিফাইড কপি বৈষয়িক শাখায় জমা দিতে হয়৷

৮৷    প্ল­টের নামপত্তনের জন্য ইনফরমেশন স্লপি চেয়ে আবেদন করলে (প্রিমিয়াম পরিশোধের বিষয়ে হিসাব বিবরণী পরীক্ষা করা থাকলে) আবেদন প্রাপ্তির ১৫ টি কার্য দিবসর মধ্যে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে ইনফরমেশন স্লপি প্রদান করা হয়৷ আর হিসাব বিবরণী পরীক্ষা করানো  না থাকলে সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম পরিশোধ সাপেক্ষে আবেদন প্রাপ্তির ২০ টি কার্য দিবসের মধ্যে সংশ্লি­ষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে ইনফরমেশন স্লিপ প্রদান করা হয়৷ বরাদ্দগ্রহীতাকেও ইনফরমেশন স্লিপের অনুলিপি প্রদান করা হয়ে থাকে৷

৯৷  বরাদ্দ প্রাপ্তির পর থেকে বরাদ্দ গ্রহীতার উপর ভূমি উন্নয়ন কর প্রযোজ্য হবে ৷

১০৷  প্লট বরাদ্দের তারিখ হতে বরাদ্দ গ্রহীতা কর্তৃক ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হয়৷

 

প্লট হস্তান্তরের নিয়মাবলীঃ

 

১৷   কেডিএর অভ্যর্থনা কক্ষ হতে নির্ধারিত মূল্যে প্ল­ট হস্তান্তর ফরম ক্রয় ও যথাযথভাবে পূরণ করে কেডিএ অফিসে উপ িস্থত হয়ে সিনিয়র বৈষয়িক অফিসার অথবা বৈষয়িক অফিসার এর সম্মুখে   হস্তান্তর ফরমে স্বাক্ষর ও টিপ স্বাক্ষর দিতে হয়৷

২৷   হস্তান্তর ফরম এর সঙ্গে থাকা নমূনা স্বাক্ষরের ফরমে হস্তাস্তর দাতা ও গ্রহীতার তিনটি নমূনা স্বাক্ষর ও টিপ সহি এবং হস্তান্তর দাতা ও গ্রহীতার পাসপোর্ট সাইজের এক কপি করে ছবি ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা (কেডিএ’র কর্মকর্তা ব্যতীত) কর্তৃক সত্যায়িত ক েএকত্রে দাখিল করতে হয়৷

৩৷  হস্তান্তর গ্রহীতা যে কাহারও বেনামদার নয় এবং কোন বিভাগীয় শহরে হস্তান্তর গ্রহীতার কোন আবাসিক জমি বা বাড়ী নাই মর্মে ১৫০/- (এক শত পঞ্চাশ) টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে একটি হলফনামা এবং প্লটটি  হস্তান্তরমুলে বরাদ্দ পেলে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে প্লটটির উপর আবাসিক/বাণিজ্যিক কাম আবাসিক ভবন নির্মাণ করবেন মর্মে ১৫০/- (এক শত পঞ্চাশ) টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে একটি অঙ্গীকারনামা নোটারী করে  হস্তান্তর ফরমের সাথে দাখিল করতে হয়৷

৪৷   প্লটের উপর ভবন নির্মাণ না হয়ে থাকলে আবাসিক প্লটের ক্ষেত্রে কেডিএ’র নির্ধারিত মূ্যের ১০%, বাণিজ্যিক, বাণিজ্যিক কাম আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে কেডিএর নির্ধারিত মূল্য ও বরাদ্দ মূ্যের মধ্যে যেটি বেশী সেই মূল্যের ১৫% হস্তান্তর ফি পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট আকারে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হয়৷

৫৷  প্লটের উপর ভবন নির্মাণ হয়ে থাকলে আবাসিক প্ল­টের ক্ষেত্রে কেডিএ কর্তৃক ধার্যকৃত ভবনের মূল্য ও জমির মূল্য একত্র করে মোট মূল্যের ৫% অথবা শুধুমাত্র জমির মূল্যের ১০% যেটি বেশী এবং বাণিজ্যিক, বাণিজ্যিক কাম আবাসিক ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে কেডিএ কর্তৃক ভবনের ধার্যকৃত মূল্য ও জমির নির্ধারিত/ বরাদ্দ মূল্য একত্র করে মোট মূল্যে ৫% অথবা শুধুমাত্র জমির মূল্যের ১৫% যেটি বেশী তা  হস্তান্তর ফি হিসাবে পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট আকারে চেয়ারম্যান, কেডিএ বরাবর জমা দিতে হয়৷

৬৷  দান বা হেবার মাধ্যমে প্লট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে হেবার প্রচলিত আইন মোতাবেক কেডিএ’র হস্তান্তর ফি প্রােজ্য হবে না৷

৭৷   হস্তান্তরের আবেদন অনুমতির পূর্বে ব্যাংক/ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনে প্লটটি দায়বদ্ধ কিনা তা যাচাই বাছাই করে হস্তান্তর কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে৷

৮৷  দাখিলকৃত আবেদনপত্র ও অন্যান্য সবকিছু ত্রুটিমুক্ত থাকলে আবেদন প্রাপ্তির ৪৫ টি কার্য দিবসের মধ্যে  প্লট হস্তান্তরের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়ে থাকে৷

৯৷  দাখিলকৃত আবেদনপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রা িদ ত্রুটিযুক্ত থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একত্রে চাওয়া হয় যা পুনরায় জমা প্রদানের পর ৪৫ টি কার্য দিবসের মধ্যে প্লট হস্তান্তরের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়ে থাকে৷

১০৷  অনুমতিপত্র ইস্যুর তারিখ হতে ৬০ (ষাট)দিনের মধ্যে প্লটের রেজিষ্ট্রেশন কার্যা িদ সম্পন্ন করতে হবে৷ অন্যথায় মোট হস্তান্তর মুল্যের ৫% জরিমানা দিতে হয়৷ হস্তান্তর অনুমতিপত্র বাতিলের আবেদনের ক্ষেত্রে হস্তান্তর মূল্যের ৫%জরিমানা দিতে হয়৷

১১৷  প্লটের রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় দলিল টাইপ এর কাজ নির্দিষ্ট ছক মোতাবেক স্বউদ্যোগে বাহির হতে অথবা নির্ধারিত ফি প্রদান করতঃ সার্বিক সেবা কেন্দ্র (One Stop Service Certre) হতে সম্পন্ন করা যেতে পারে৷ প্লটের রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় খরচাদি   হস্তান্তর গ্রহীতাকেই বহন করতে হয়৷

 

উত্তরাধিকার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত প্লটের নামজারি পদ্ধতিঃ

 

১৷   প্লটের বরাদ্দ গ্রহীতার মৃত্যুর পর ওয়ারিশগণ কর্তৃক ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট হতে মৃতের ওয়ারিশ সম্পর্কিত সনদপত্র ও মৃত্যু সনদপত্র  দাখিল করতে হয়৷

২৷   কেডিএর নির্ধারিত ওয়াশেকায়েম ফরম যথাযথ পুরণ করে প্রয়োজনীয় যাবতীয় ডকুমেন্ট সহ দাখিল করতে হয়৷

৩৷  আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত ওয়ারেশ সম্পর্কিত সনদপত্র পরীক্ষান্তে সঠিক পাওয়া গেলে আবেদন প্রাপ্তির (ত্রুটিমুক্ত আবেদনের ক্ষেত্রে) ৩০ টি কার্য দিবসের মধ্যে ওয়ারেশগণের নামজারী অনুমোদন করিয়ে প্রত্যেক ওয়ারেশকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়৷

৪৷   ত্রুটিযুক্ত আবেদনের ক্ষেত্রে অর্থাৎ আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত ওয়ারেশ সম্পর্কিত সনদপত্র পরীক্ষান্তে সঠিক পাওয়া না গেলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একত্রে চাওয়া হয় যা দাখিলের পর ৩০ টি কার্য দিবসের মধ্যে ওয়ারেশগণের নামজারী অনুমোদন করিয়ে প্রত্যেক ওয়ারেশকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়৷

 

 

আবাসিক/বানিজ্যিক/বাণিজ্যিক কাম আবাসিক শিল্প প্লট বিভাজন/সংযুক্তি পদ্ধতিঃ

 

১৷   প্লটের সাইজ আবাসিক এর ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৪.০০ কাঠা এবং বাণিজ্যিক/বাণিজ্যিক কাম আবাসিক এর ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৫.০০ কাঠা ও শিল্প প্লটের ক্ষেত্রে ন্যুনতম ২০.০০ কাঠা বা এর অধিক হলে প্রাথমিকভাবে প্লটটি বিভাজনযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হয়৷

২৷   বিভাজনযোগ্য প্লট বিভাজন করতে চাইলে যেভাবে বিভাজন করতে আগ্রহী তার স্কেচসহ সাদা কাগজে প্লট বিভাজনের জন্য চেয়ারম্যান, কেডিএ বরাবর আবেদন করতে হয়৷ প্লট সংযুক্তির জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য৷ তবে দুই বা ততোধিক প্লট সংযু িক্ত করা যাবে এবং প্লট সংযু িক্তর জন্য জমির পরিমাণ নির্ধারিত নাই৷

৩৷  প্লট বিভাজনের ক্ষেত্রে জমির ফেস ভ্যালুর মোট মূল্যের ১% পরিমাণ বিভাজন ফি এবং সংযোজনের ক্ষেত্রে সংযুক্ত সকল প্লটের ফেস ভ্যালুর মোট মূল্যের ১% সংযুক্তি  ফি পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট আকারে চেয়ারম্যান, কেডিএ বরাবর আবেদনের সাথে দাখিল করতে হয়৷ কিন্তু দুই প্রকল্পের প্লট সংযোজন করা যায় না৷

৪৷   প্লট বিভাজন/সংযু িক্তর আবেদন পত্রে বরাদ্দ গ্রহীতা কর্তৃক স্বয়ং আবেদন করতে হয় এবং আবেদনপত্রে স্বাক্ষর মিল থাকতে হয়৷ বিভাজনের ক্ষেত্রে একের অধিক বরাদ্দ গ্রহীতা হলে কে কোন অংশ নিতে আগ্রহী তা সংযুক্ত স্কেচ ও আবেদনে উলে­খ থাকতে হয়৷

৫৷  দাখিলকৃত কাগজপত্র সঠিক পাওয়া গেলে অর্থাত্ ত্রুটিমুক্ত আবেদনের ক্ষেত্রে কেডিএর প্ল­ট বিভাজন/সংযু িক্ত নীতিমালা মোতাকে বিভাজন/একত্রীকরণের অনুমোদন করিয়ে অনুমো দিত স্কেচসহ বিভাজন/সংযোজন করা প্লট সম্পর্কে আবেদন প্রাপ্তির ৩০ টি কার্য দিবসের  মধ্যে প্রত্যেক বরাদ্দ গ্রহীতাকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়৷

৬৷  দাখিলকৃত কাগজপত্র সঠিক পাওয়া না গেলে অর্থাত্ ত্রুটিযুক্ত আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একত্রে চাওয়া হয় যা জমা প্রদানের পর কেডিএর প্লট বিভাজন/ সংযুক্তি নীতিমালা মোতাকে বিভাজন/একত্রীকরণের অনুমোদন করিয়ে অনুমোদিত স্কেচসহ বিভাজন/সংযোজন করা প্লট সম্পর্কে পুনরায় আবেদন প্রাপ্তির ৩০ টি কার্য দিবসের মধ্যে প্রত্যেক বরাদ্দ গ্রহীতাকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়৷

 

দোকান/ ষ্টল/ কাউন্টার/ স্পেস বরাদ্দের/ হস্তান্তরের নিয়মাবলীঃ

 

১৷   দোকান/ষ্টল/কাউন্টার /স্পেস বরাদ্দ প্রদানের পূর্বে বহুল প্রচারের জন্য পেপারে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়৷

২৷   বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কেডিএ অভ্যর্থনা কক্ষ হতে নির্ধারিত মূল্যে  আবেদন ফরম ক্রয় করা হয়৷

৩৷  টেন্ডার ফরমের শর্তানুযায়ী ফরম পূরণ করে নির্ধারিত তারিখ জমা প্রদান করতে হয়৷

৪৷   টেন্ডার দাতাদের উপ িস্থতিতে টেন্ডার খোলার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে৷

৫৷  দোকান/ষ্টল/কাউন্টার/স্পেসের সংখ্যা অপেক্ষা আবেদনকারীর সংখ্যা বেশী হলে সেক্ষে লটারীর মাধ্যমে দোকান/ষ্টল/কাউন্টার/স্পেস বরাদ্দ গ্রহীতা নির্ধারণ করা হয় এবং কতিপয় শর্তে  বরাদ্দপত্র প্রদান করা হয়৷

৬৷  বরাদ্দ মেয়াদ উত্তীর্ণের ৬০ দিন পূর্বে বরাদ্দের মেয়াদ পর্যন্ত সমুদয় ভাড়া পরিশোধ পূর্বক বরাদ্দ নবায়নের জন্য আবেদন করতে হয়৷ তবে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে নবায়ন না করে পুনঃ টেন্ডারের ব্যবস্থা করতে পারে৷ সমূদয় ভাড়া পরিশোধ এবং ত্রুটিমুক্ত আবেদন থাকলে আবেদন প্রাপ্তির ৬০ দিনের মধ্যে বরাদ্দ নবায়নের বিষয়ে বরাদ্দ গ্রহীতাকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়৷

৭৷   বরাদ্দ মেয়াদ উত্তীর্ণের পূর্বে বরাদ্দ গ্রহীতা কর্তৃক দোকান/ষ্টল/স্পেস হস্তান্তর করতে চাইলে আপ টু ডেট সমুদয় ভাড়া পরিশোধ থাকলে দোকান/ষ্টল/স্পেস হস্তান্তরের জন্য আবেদন করতে হয়৷ সমূদয় ভাড়া পরিশোধ এবং ত্রুটিমুক্ত আবেদন থাকলে আবেদন প্রাপ্তির ৬০ দিনের মধ্যে দোকান/ষ্টল/স্পেস এর হস্তান্তরের বিষয়ে বরাদ্দ গ্রহীতাকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়৷

৮৷  বরাদ্দ পত্রের শর্ত মোতাবেক লীজ এগ্রিমেন্ট সম্পাদন করতে হয়৷

৯৷  প্রতিটি দোকান/ষ্টল/স্পেস এর জন্য নির্ধারিত ভাড়া এই কর্তৃপক্ষের অনুকূলে প্রদান করতে হয়৷

১০৷  লটারীর মাধ্যমে দোকান/ষ্টল/স্পেসের বরাদ্দের ক্ষেত্রে কৃতকার্যদের ৪৫ টি কার্য দিবসের মধ্যে বরাদ্দ এবং অকৃতকার্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিডি ফেরত কার্যক্রম ১৫ টি কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে৷

১১/    কাউন্টার আবেদনের ভিত্তিতে বরাদ্দ প্রদান করা হয়ে থাকে৷ তবে বরাদ্দকৃত কাউন্টার হস্তান্তরযোগ্য নহে৷

 

বিল বোর্ড বরাদ্দের নিয়মাবলীঃ

 

১৷   আবেদনের/টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিল বোর্ড স্থাপনের অনুমতি প্রদান করা হয়ে থাকে৷

২৷   বাত্সরিক প্রতি বর্গফুট হিসাবে নির্ধারিত সময়ের জন্য ভাড়া প্রদান করা হয়ে থাকে৷

৩৷  বরাদ্দ মেয়াদ উত্তীর্ণের ৬০ দিন পূর্বে বরাদ্দের মেয়াদ পর্যন্ত সমুদয় ভাড়া পরিশোধ পূর্বক বরাদ্দ নবায়নের জন্য আবেদন করা যায়৷ তবে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে নবায়ন না করে পুনঃ টেন্ডারের ব্যবস্থা করতে পারে৷ সমূদয় ভাড়া পরিশোধ এবং ত্রুটিমুক্ত আবেদন থাকলে আবেদন প্রাপ্তির ৬০ দিনের মধ্যে বরাদ্দ নবায়নের বিষয়ে বরাদ্দ গ্রহীতাকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়৷

 

কেডিএর প্লটের নকশা অনুমোদনের জন্য বৈষয়িক শাখা কর্তৃক ছাড়পত্র প্রদানের পদ্ধতিঃ

 

১৷   কেডিএ অথরাইজড শাখায় নকশা অনুমোদনের জন্য কেডিএর বরাদ্দকৃত প্লটের উপর নকশা দাখিল করলে অথরাইজড শাখা বৈষয়িক শাখায় প্ল­ট সংক্রান্ত তথ্যাবলী চেয়ে ফরম প্রেরণ করে থাকে৷

২৷   উক্ত নকশা অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী বৈষয়িক শাখার অংশ পূরণ করে স্বাক্ষর করার পর অথরাইজড শাখা ফরমের একটি অংশ বৈষয়িক শাখা হতে সংগ্রহ করে নিয়ে থাকে৷

৩৷  কোন প্রকার অসংগতি না থাকলে দাখিলের ৭ দিনের মধ্যে তথ্যাবলী প্রদান করা হয়৷

 

আবাসিক/বানিজ্যিক কাম আবাসিক/শিল্প প্লট বন্ধক রেখে ঋণ গ্রহণের জন্য NOC পাইবার পদ্ধতিঃ

 

১৷   প্লটের বরাদ্দ গ্রহীতা যে অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক তার নাম উল্লেখ পূর্বক NOC পাইবার জন্য বরাদ্দ গ্রহীতাকে স্বয়ং সিনিয়র বৈষয়িক অফিসার বরাবর আবেদন করতে হয়৷ প্লট বরাদ্দ পাওয়ার আবেদন ফরমের সাথে বরাদ্দ গ্রহীতার আবেদনের স্বাক্ষর অবশ্যই মিল থাকতে হবে৷

২৷   বরাদ্দ গ্রহীতা কর্তৃক ইতোপূর্বে উক্ত প্লটের জন্য অন্য কোন অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান হতে ঋণ গ্রহণ করা হলে বা ঋণ গ্রহণের জন্য NOC গ্রহণ করলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হতে দায়-দেনা সংক্রান্ত প্রত্যয়ন পত্রের আলোকে NOC প্রদান করা হয়৷

৩৷  ইতোপূর্বে কোন NOC গ্রহণ না করলে ত্রুটিমুক্ত আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদন প্রাপ্তির ৩০ টি কার্য দিবসের মধ্যে NOC প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়৷

৪৷   ইতোপূর্বে কোন NOC গ্রহণ করলে বা ত্রুটিযুক্ত আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি একত্রে চাওয়া হয় এবং পুনরায় আবেদন প্রাপ্তির ৩০ টি কার্য দিবসের মধ্যে NOC প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়৷

 

আমমোক্তারনামা দলিল গ্রহণ পদ্ধতিঃ

 

১৷   কেডিএ’র যে কোন প্লরে বরাদ্দ গ্রহীতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্লটটি বিক্রয়, বন্ধক, দান, হেবা, রেজিষ্ট্রেশন করার দায়িত্ব দিয়ে সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস কর্তৃক দলিলের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করে উক্ত আমমোক্তার দলিল দাখিল করতে হয়৷

২৷   উক্ত মূল আমমোক্তার দলিলের সার্টিফাইড কপি দাখিল করলে সেক্ষেত্রে মূল টিকেট সরবরাহ করতে হয়৷

৩৷  আমমোক্তারনামা দলিল সংক্রান্ত বিষয়ে কেডিএ’র আইন উপষ্টোর পরামর্শ নেয়া হয়৷

৪৷   পরবর্তীতে আইন উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়৷

 

পরিকল্পনা শাখা

কেডিএ হতে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র (No Objection Certificate /noc) পাওয়ার নিয়মাবলী

 

১)       কেডিএ’র অভ্যর্থনা কক্ষ হতে নির্ধারিত মূল্যে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্রের আবেদন ফরম ক্রয় ও যথাযথভাবে পূরন করে ডেসপাস শাখায় দাখিল করতে হবে৷

২)       আবেদন ফরম এর সঙ্গে জমির ০৩ (তিন) কপি লে-আউট প্ল্যান (যাতায়াতের রাস্তা, আশপাশের ভবনের অবস্থান, মৌজা ম্যাপসহ) মালিকের স্বাক্ষরসহ সংযুক্ত করতে হবে৷

৩)   জমির মালিকানা সম্পর্কিত বৈধ কাগজপত্র (দলিল/পর্চা/অন্যান্য ডকুমেন্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি) সংযুক্ত করতে হবে৷

৪)  আবেদনপত্র যথাযথ বিবেচিত হলে আবেদনপত্র প্রাপ্তির জোনাল অবস্থান অবগতি পত্র ও ঋণ গ্রহণের তথ্যপত্র ২১ দিন এবং মাষ্টার প্ল্যান পরিপন্থি ভূমি ব্যবহারের অনুমতিপত্র ৪৫ দিনের মধ্যে এন ও সি (NOC) আবেদনকারীর ঠিকানায় পৌঁ ছে দেওয়া হয়৷

৫)  আবেদন পত্রে কোন ভুল/ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তাও উক্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদনকারীকে জানিয়ে দেওয়া হবে৷

৬)      নির্দিষ্ট ফি জমা দান পূর্বক  One stop service centre এর মাধ্যমে কাজটি সম্পাদনে সহযোগিতা করা হয়৷

 

 

অথরাইজড শাখা

 

নকশা অনুমোদন  সম্পর্কিত নিয়মাবলীঃ

 

১)  ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এর আলোকে কেডিএ’র তালিকাভূক্ত নক্‌শা প্রনয়ণকারী ব্যক্তি/ফার্ম এর  মাধ্য েনক্‌শা প্রস্তুত করতে হয়৷

২)  দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত ভবনের নক্‌শার ক্ষেত্রে স্থাপত্য ও ভিত্তির নক্‌শা দাখিল করতে হয়৷

৩)  দ্বিতীয় তলার অধিক আবাসিক ভবন ও যে কোন তলা বিশিষ্ট শিল্প ভবনের ক্ষেত্রে স্থাপত্য নক্‌শা, মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট ও বিস্তারিত কাঠামো নক্‌শা দাখিল করতে হয়৷

৪)  পাঁচ তলার অধিক উঁচু যে কোন ভবনের ক্ষেত্রে এতদ্ব্যতীত কাঠামো নক্‌শার বিস্তারিত ক্যালকুলেশন সীট জমা  দিতে হয়৷

৫)  ছয় তলার অধিক উঁচু যে কোন ভবনের ক্ষেত্রে নক্‌শার সাথে ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র জমা দিতে হবে এবং নক্‌শায় লিফট এর ব্যবস্থা রাখতে হয়৷

৬)  কেডিএর বিভিন্ন ধরনের ফরম ও সিডিউল বিক্রয় কক্ষ হতে নির্ধারিত মূল্যে নক্‌শা অনুমোদন সংক্রান্ত আবেদন ফরম ক্রয় ও যথাযথভাবে পূরণ করে প্রস্তাবিত ইমারতে সর্বমোট আবৃত অংশের উপর নির্ধারিত ফি চালানের মাধ্যমে জনতা  ব্যাংক কেডিএ শাখায় জমা প্রদান করে চালান কপি ও জমির মালিকানার বৈধ ডকুমেন্টের সত্যায়িত ফটোকপিসহ নক্‌শা দাখিল করতে হয়৷

৭) সংস্থা/ প্রতিষ্ঠান/ ব্যক্তি মালিকানাধীন (কেডিএ ও গৃহ সংস্থান বাদে) এর জমির ক্ষেত্রে পরিকল্পনা শাখা হতে সংগৃহীত ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত NOC সংযুক্ত করতে হয়৷

৮)  প্রস্তাবিত নক্‌শা কমপক্ষে ৭ (সাত) কপি দাখিল করতে হয়৷

৯)  () আধা পাকা অথবা কাঁচা ইমারত নির্মাণের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র দাখিলের ৩০ দিনের মধ্যে এবং(খ) পাকা ইমারত

 নির্মাণ, পুকুর খনন এর ক্ষেত্রে, আবেদনপত্র দাখিলের ৪৫ টি কার্য দিবসের মধ্যে নক্‌শা অনুমোদনের ব্যবস্থা নেয়া হবে ৯() () এ যাহাই থাকুক না কেন, কোন আবেদনপত্রে উল্লেখিত কোন তথ্য বা তত্সঙ্গে দাখিলকৃত কোন দলিল বা কাগজপত্রাদি অথরাইজড অফিসার বা ইমারত নির্মাণ কমিটির নিকট অসম্পূর্ণ বা ভুল প্রতীয়মান হয় তবে অথরাইজড অফিসার বা উক্ত কমিটি আবেদনপত্র দাখিলের ৩০ টি কার্যদিদবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক তথ্য বা দলিল বা কাগজপত্র সরবরাহের জন্য আবেদনকারীকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং অনুরুপ তথ্য বা দলিল বা কাগজপত্র সরবরাহের পর ৯() ও ৯() এ বর্ণিত  সময়সীমার মধ্যে নক্‌শা অনুমোদন বা প্রত্যাখান করা হয়৷

১০)      স্বল্প আয়ের ব্যক্তিবর্গকে  সহজ সেবা প্রদানের লক্ষে নির্দিষ্ট ফি গ্রহণ করে one stop service center এর মাধ্যমে  টিনসেড/সেমিপাকা প্ল্যান প্রনয়ণ ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়৷

 

অননুমোদিত/অনুমোদিত নকশা বহির্ভূত স্থাপনা অপসারণ ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত তথ্যঃ

 

১১) অনুমোদিত নির্মাণ কাজ অপসারণের ক্ষেত্রে

 

ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এর ১৮ নং উপধারা ৪ এর বিধি বর্হিভূত নির্মাণ কাজ করলে উক্ত বর্হিভূত অংশ অপসারন করা হয়৷ অর্থাত্

 

  1. ইমারতের সম্মুখে অর্থাত্ রাস্তার দিকে-রাস্তার কেন্দ্র হতে ৪.৫০ মিটার অথবা রাস্তার শেষ প্রান্ত হতে ইমারতের নিকটতম প্রান্তের দূরত্ব ১.৫০ মিটার যাহা অধিকতর হবে সেই পরিমাণ জায়গা উন্মুক্ত রাখতে হয়৷
  2. পশ্চাতে ০.০০ বর্গমিটার হতে ২০০ বর্গমিটার পর্যন্ত ১.০০ মিটার, ২০০ বর্গমিটারের অধিক হতে ২৬৮ বর্গমিটার পর্যন্ত ১.৫০ মিটার এবং ২৬৮ বর্গমিটারের অধিক হলে ২.০০ মিটার জায়গা উন্মুক্ত রাখতে হয়৷

(গ) ইমারতের উভয় পার্শ্বে ০.০০ বর্গমিটার হতে ১৩৪ বর্গমিটার পর্যন্ত ০.৮০ মিটার, ১৩৪ বর্গমিটার এর অধিক হতে ২৬৮ বর্গমিটার পর্যন্ত ১.০০ মিটার এবং ২৬৮ বর্গ মিটার এর অধিক হলে ১.২৫ মিটার জায়গা উন্মুক্ত রাখতে হয়৷

(ঘ) ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ বিধিবদ্ধ আইন এবং ১৯৫৩ সালের ( ২ নং ই,বি) আইন ভংগ করে খুলনা  উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ থেকে নকশা অনুমোদন বিহীন কোন স্থাপনা করলে তাহা অপসারণ করা হয়৷ উল্লেখ্য যে, অপসারনের যাবতীয় খরচ অননুমোদিত নির্মাণ কারীর নিকট থেকে আদায় করা আইনসিদ্ধ৷

 

  1. বিসি কমিটি/ অথরাইজড অফিসারের যে কোন সিদ্ধান্তে আবেদনকারী সংক্ষুব্ধ হলে উক্ত বিষয়ে এ্যাপিলেট কমিটি বরাবর ৩০ (ত্রিশ)টি কার্য দিবসের মধ্যে আবেদন করা যেতে পারে৷ এক্ষেত্রে এ্যাপিলেট কমিটির সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত৷

 

২)  নকশা প্রনয়ণকারী ব্যক্তি / প্রতিষ্ঠানকে কেডিএ’তে তালিকাভূক্ত করা হয়ে থাকে৷ এছাড়াও নক্‌শা অনুমোদন ও অননুমোদিত নির্মাণ কাজ সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের প্রয়োজনে one stop service centre এ যোগাযোগ করা যেতে পারে৷

প্রকৌশল শাখা

 

১৷   খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়নমূলক প্রকল্প প্রনয়নের কাজ প্রকল্প শাখার অধীনে এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন পূর্ত শাখার অধীনে সম্পন্ন করা হয়৷

২৷   কর্তৃপক্ষের যাবতীয় পূর্ত মেরামত, বৈদ্যুতিক মেরামত, যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়, মেরামত ও এতদসংক্রান্ত যাবতীয় কাজ রক্ষণাবেক্ষণ শাখার  অধীনে সম্পন্ন করা হয়৷

৩৷  সকল কাজের টেন্ডারের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন -২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০০৮ এবং এ সংক্রান্তে সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক জারীকৃত সংশোধন মোতাবেক অনুসরণ করা হয় ৷

৪৷   সাধারণ প্রাক্কলিত অর্থাংক ১৫,০০০ /-(পনের হাজার) টাকা কিংবা জরুরী প্রয়োজনে ক্ষেত্রে বিশেষে  ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার ) টাকার মধ্যে হলে ডাউরেক্ট প্রকিউরমেন্ট পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করা হয়৷

৫৷  প্রাক্কলিত অর্থাংক উল্লেখিত অর্থের উর্দ্ধে হলে ২৫,০০,০০০/-(পঁচিশ লক্ষ) টাকা পর্যন্ত কাজের ক্ষেত্রে রেষ্ট্রিকটেড টেন্ডার বা ওপেন টেন্ডার পদ্ধতি এবং ২৫,০০,০০০/-(পঁচিশ লক্ষ) টাকার উর্দ্ধে কাজের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ওপেন টেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়৷

৬৷  টেন্ডারে অংশ গ্রহণের উদ্দেশ্যে রক্ষণাবেক্ষণ শাখার  আওতায় পূর্ত ও  বৈদ্যুতিক ঠিকাদার তালিকাভূক্ত ও লাইসেন্স হালনাগাদ নবায়ন করা হয়৷

৭৷   উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরামর্শক নিয়োগ কার্যক্রম পূর্ত বিভাগ হতে করা হয়৷

৮৷  টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ বা সরবরাহ সমাপ্ত হলে ঠিকাদারের বিল দাখিলের পর বিল পরিশোধ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়৷

৯৷  ঠিকাদার অথবা সরবরাহকারীর বিল দাখিলের ২৮ দিনের মধ্যে বিল প্রদান করা হয়৷

১০৷  বিলের চেক প্রাপ্তির জন্য One stop service centre এর মাধ্যমে অর্থ ও হিসাব রক্ষণ অফিসার এর সঙ্গে যোগযোগ করা যেতে পারে৷

১১৷  এছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ শাখা  হতে কেডিএ’র রোড রোলার, রাবার হুইল ডোজার ও সিফফুট রোলার নির্ধারিত হারে জমা নিয়ে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বরাবরে ভাড়া প্রদান করা হয়৷ এতদসংক্রান্ত প্রয়োজনে সহকারী প্রকৌশলী ( যানবাহন ও বিবিধ) অথবা নির্বাহী প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) এর সংগে যোগাযোগ করা যেতে পারে৷

 

 

কেডিএতে বিভিন্ন কাজে আগত জনসাধারণের সার্বিক সেবা দানে

One Stop Service Centre

 

১)  কেডিএতে বিভিন্ন কাজে আগত জনসাধারনকে স্বল্প সময়ে সার্বিক সহযোগিতা ও সর্বোত্তম সেবা প্রদানের লক্ষে ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস সেন্টার (One Stop Service Centre) চালু রয়েছে ৷

 

২)  এই সেন্টারের মাধ্যমে জনসাধারনের সাথে সম্পৃক্ত কেডিএ’র বিভিন্ন শাখা সমূরে কাজের বিষয়ে (প্লট বরাদ্দ, প্লট হস্তান্তর, প্লটের টাকা পরিশোধ, দখল হস্তান্তর, রেজিষ্ট্রেশন, নামজারী, ষ্টল/দোকানের ভাড়া পরিশোধ, বিলবোর্ড/ সাইনবোর্ড এর স্পেস বরাদ্দ, ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র (এন ও সি), ভবন নির্মানের পূর্বে নক্‌শা অনুমোদন এর নানাবিধ দিক এবং টেন্ডার সম্পর্কিত যাবতীয় কাজের সার্বিক পরার্মশসহ চাহিত সকল সহযোগিতা প্রদান করা হয়ে থাকে৷

 

৩)  জনসাধারনকে সার্বিক পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের লক্ষে প্রত্যহ অফিস সময়ে একজন ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা One Stop Service Centre- এ দায়িত্ব পালন করে থাকেন৷ তাছাড়া কোন ব্য িক্তকে যাতে একই কাজে অহেতুক বারংবার এই কার্যালয়ে না আসতে হয় তজ্জন্য প্রথম আগমনের সময়েই কত িদন পর কাজ শেষ হতে পারে তার সম্ভাব্য সময় বলে দেওয়া হয় ৷

 

৪)  অহেতুক হয়রানী, প্রতারনা ও দালাল চক্রের হাত হতে রক্ষা পেতে এবং কেডিএ’র সেবা পেতে সেবা প্রত্যাশি যে কোন ব্য িক্ত নির্বিঘ্নে ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস সেন্টারে সাহায্য নিতে পারেন৷

 

৫)  কেডিএতে যে কোন কাজের উদ্দেশ্যে কোন প্রতারক, দুষ্টু/ দালাল চক্রকে বা অন্য কাউকে দিয়ে প্রতারিত হবেন না৷ সকল প্রকার নির্ধারিত ফি কেডিএ’র পাকা রসিদের মাধ্য েগ্রহণ করা হয়৷

 

৬)  কেডিএ’র যে কোন বিষয় সর্ম্পকে আপনার কোন অভিযোগয পরামর্শ থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করণের জন্য এই কর্তৃপক্ষের নীচতলায় রক্ষিত অভিযোগ বাক্সে অভিযোগ দাখিল করতে পারেন৷ তাছাড়া কোন ব্যক্তি অধঃস্তন কর্মকর্তার নিকট হতে কোন বিষয়ে প্রতিকার না পেলে জরুরী প্রয়োজনে চেয়ারম্যান মহোদয়ের একান্ত সচিবের মাধ্যমে চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাত্ করা যেতে পারে ৷

 

৭)  কেডিএ সম্পর্কে যে কোন তথ্য  জানতে www.kda.gov.bd ওয়েব সাইটে লগ অন করা যেতে পারে৷

 

৮)  খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিক নগরায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷

ছবি

সিটিজেন চার্টার সিটিজেন চার্টার


সংযুক্তি

ed96a91a0af03dde2b8cbe3756379fcc.pdf ed96a91a0af03dde2b8cbe3756379fcc.pdf


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter